- দারিদ্র্য বিমোচন: অনেক এনজিও দরিদ্র পরিবারগুলোকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য গরু বিতরণ করে। গরু পালন করে পরিবারগুলো দুধ, গোবর এবং মাঝে মাঝে মাংস পেতে পারে। এছাড়া
- পুষ্টি উন্নয়ন: দুধ শিশু এবং বয়স্কদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। গরু পালনের মাধ্যমে পরিবারগুলো নিজেরাই দুধ উৎপাদন করতে
- কৃষি উন্নয়ন: গরুর গোবর কৃষিজমিকে উর্বর করে তোলে। এছাড়া গরুর মাধ্যমে জমি চাষাবাদ করাও সহজ হয়। এভাবে গরু পালন কৃষি উন্নয়নে সহায়তা করে।
- সামাজিক উন্নয়ন: গরু বিতরণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি জোরদার হয় এবং সামাজিক সম্পর্কের উন্নতি হয়।
- স্বাবলম্বীতা বৃদ্ধি: গরু পালনের মাধ্যমে পরিবারগুলো নিজেদের আয়ের উৎস সৃষ্টি করতে পারে এবং স্বাবলম্বী
গরু বিতরণের সময় বিবেচ্য বিষয়:
- গরুর জাত: সাধারণত দুধ দেওয়া বা মাংসের জন্য উপযোগী জাতের গরু বিতরণ করা হয়।
- গরুর স্বাস্থ্য: বিতরণ করা গরুগুলো সুস্থ থাকতে হবে।
- প্রশিক্ষণ: গরু পালনের বিষয়ে উপকারভোগীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
- সহযোগিতা: গরু পালনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হয়।
এনজিওগুলো কেন গরু বিতরণ করে সে সম্পর্কে কিছু সমালোচনাও রয়েছে:
- দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব: অনেক ক্ষেত্রে গরু বিতরণের পরেও উপকারভোগীরা গরু পালন করতে পারে না বা গরু মরে যায়। ফলে এই প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠে।
- দুর্নীতি: কখনো কখনো এ ধরনের প্রকল্পে দুর্নী
সার্বিকভাবে বলতে গেলে, এনজিওগুলো গরু বিতরণের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করতে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে চায়।


